Welcome to our website

Some Free websites and softwere news without any money $

কিছু অত্যন্ত কাজের মুক্ত সফটওয়্যার


আশা করি সবাই অনেক ভাল আছেন। আমি অনেকদিন পর আবার ফিরে এসেছি আপনাদের কাছে নতুন একটি পোস্ট নিয়ে। আমাদের মাঝে অনেকেই মুক্ত সফটওয়্যার এর সাথে পরিচিত। আবার অনেকেই পরিচিত নন। তো যারা অপরিচিত তাদের একটু পরিচয় করিয়ে দেই। মুক্ত সফটওয়্যার হল বিনামুল্যের কিছু সফটওয়্যার যেগুলোর সোর্সকোড সবার জন্য উন্মুক্ত। আমরা বিনামূল্যে এই সফটওয়্যার গুলো ব্যাবহার করতে পারি এবং চাইলে ডেভলপ করতে পারি। আমাদের খুব পরিচিত কিছু মুক্ত সফটওয়্যার হল Mozilla Firefox, VLC Media Player, 7Zip ইত্যাদি।
আমরা প্রতিদিন অনেক কাজেই নানা সফটওয়্যার ব্যবহার করি। এগুলোর মাঝে অনেক সফটওয়্যার থাকে পেইড যেগুলর ক্র্যাক করা কপি আমরা বিভিন্ন টরেন্ট সাইট থেকে পেয়ে থাকি। কোন সমস্যা ছাড়া এগুলো ব্যবহার করা গেলেও বেআইনি, পাইরেটেড সফটওয়্যার এর অনেক সমস্যাও আছে। সেগুল নিয়ে কথা বলার সময় নেই আজ। আমি আজ নিয়ে এসেছি কিছু অসাধারণ মুক্ত সফটওয়্যার।

ClamWin Antivirus - এটি একটি মুক্ত এন্টিভাইরাস সফটওয়্যার। এটি তৈরী করা হয়েছে বিখ্যাত Clam এন্টিভাইরাস ইঞ্জিন এর উপরে। আমরা অনেকেই Avast ব্যবহার করি। এভাস্ট এর সাথে তুলনায় Clam এ ফিচার কম আছে এটা সত্যি। তবে এই এন্টিভাইরাস যথেষ্ট ভাল। এটা অনেক হাল্কা, র‍্যাম, প্রসেসর এর উপরে বেশি চাপ পড়ে না। আমি নিজে এটি ব্যবহার করছি ৭ মাস থেকে। অনেক ভাল চলছে। ডেভ রা কিছুদিন পর পর ডেফিনিশন আপডেত রিলিজ করে। এই সফটওয়্যার সম্পর্কে আরও জানতে এবং ডাউনলোড করতে চলে যান তাদের ওয়েবসাইটে

Pidgin - এটি একটি চ্যাট/আই.এম সফটওয়্যার। এই সফটওয়্যার দিয়ে পৃথিবীর প্রায় সব ওয়েবসাইট একাউন্টে চ্যাট করা যায়। এই একটা সফটওয়্যার থেকে একসাথে Facebook, Skype, Hotmail, Gmail, Hangouts, Whatsapp, Linkedin, Twitter, Jabber আরও অনেক ওয়েবসাইটের একাউন্টে চ্যাট করা যায়। সবথেকে মজার বিষয় হল সব একাউন্টের জন্য একটাই ফ্রেন্ডলিস্ট দেখানো হবে। অত্যন্ত কাজের এই সফটওয়্যার টি নামিয়ে নিন তাদের ওয়েবসাইট থেকে

Libre Office - আমরা সবাই অফিস বলতে একমাত্র ঐ মাইক্রোসফট অফিস কেই বুঝি। কিন্তু সেটা ছাড়াও অফিসি স্যুট আছে। যেমন Libre Office। বিনামুল্যের এই মুক্ত সফটওয়্যারটি অনেক ফিচার রিচ। এম.এস অফিস এর সব কাজ ই করা যায় কোন সমস্যা ছাড়াই। এম.এস অফিস এর থেকে ছোট আকারের এই অফিস স্যুট আপনার ভাল লাগবে বলবে আশা করি

Handbrake – হ্যান্ডব্রেক একটি ছোট ভিডিও এনকোডার সফটওয়্যার। এর মাধ্যমে ভিডিও কে একাধিক ফরম্যাটে কনভার্ট করা যায় এবং এডভান্সড ভিডিও এনকোডিং দিয়ে ভিডিওর মান একদম ঠিক রেখে আকার কমিয়ে আনা যায়। এছাড়াও একাধিক প্রোফাইলে ভিডিও কে কনভার্ট করা যায়। বিনামূল্যে নামিয়ে নিন

UltraDefrag - ফ্র্যাগমেন্ট দূর করে পিসি কে ফাস্ট রাখার জন্য ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্টেশন অত্যন্ত জরুরি কাজ। খুব সহজে এবং কার্যকর ভাবে ডিস্ক ডিফ্রাগমেন্ট করার জন্য একটি অসাধারণ সফটওয়্যার হল আল্ট্রাদিফ্রাগ। ছোট্টো কিন্তু অত্যন্ত ক্ষমতাসম্পন্ন এই সফটওয়্যার দিয়ে হার্ডডিস্ককে ডিফ্রাগমেন্ট করে ও MFT অপ্টিমাইজ করে পিসি কে রাখতে পারেন নতুনের মত ফাস্ট এবং রিস্পন্সিভ। নামিয়ে নিন বিনামূল্যে
ultradefrag.sourceforge.net/

Vuze - টোরেন্ট যারা ডাউনলোড করেন তারা অনেকেই হয়তো এই সফটওয়্যার চেনেন। অসাধারণ এই টরেন্ট ক্লাইন্ট দিয়ে খুব দ্রুতগতিতে টরেন্ট ডাউনলোড করা যায়। নামিয়ে নিন নিচের ওয়েবসাইট থেকে
www.vuze.com/

SMPlayer - VLC Media Player এর সাথে তো সবাই পরিচিত। এবার পরিচিত হই SMPlayer এর সাথে। VLC এর মত এই প্লেয়ার ও অনেক ফাইল ফরম্যাট সাপোর্ট করে। তার পাশাপাশি এটি YouTube থেকে ভিডিও প্লে করতে এবং ডাউনলোড করতেও সক্ষম

GIMP – ফটোশপ এর ছোট ভাই হিসেবে গণ্য করা যেতে পারে একে। অসাধারণ এই মুক্ত সফটওয়্যারটি তে ফটোশপ এর প্ত্রায় সব ফিচার রয়েছে। অসাধারণ সহজলভ্য সব প্লাগইন ব্যবহার করে অনেক জটিল জটিল ফটো এডিটিং করা সম্ভব গিম্প এর মাধ্যমে। ফটোশপ এর বিকল্প হিসেবে নির্দ্বিধায় ব্যবহার করা যায় এটি

7zip - আমরা ওয়েবে ফাইল আপলোড করার আগে নানা কারণে ফাইল কে কম্প্রেস করি। কম্প্রেশন এর জন্য সবাই WinRAR বা Winzip এর উপর নির্ভর করে থাকে। কিন্তু অত্যন্ত উচ্চ মাত্রার কম্প্রেশন এর জন্য 7zip এর তুলনা নেই। 4gb কে খুব সহজেই 7zip দিয়ে 200mb করে ফেলা সম্ভব

Avidmeux - অসাধারণ একটি লিনিয়ার ভিডিও এডিটর হল Avidemux। খুব কম সময়ে ভিডিও কাটাকাটি, সাবটাইটেল যোগ করা ইত্যাদি কাজের জন্য এভিডমাক্স আনবিটেবল। ভিডিও এবং অডিও কোডেক কপি করে বলে খুব কম সহজেই ভিডিও/অডিও রেন্ডার করা যায় এখানে। ভিডিও থেকে শুধুমাত্র অডিও কে আলাদা করে সেভ করাও সম্ভব

Bleachbit - পিসি থেকে অপ্রয়োজনীয় ফাইল রিমুভ করে পিসে কে পরিষ্কার রাখার জন্য এক অসাধারণ সফটওয়্যার এই ব্লিচবিট। এটা দিয়ে পিসির সকল প্রকার অপ্রয়োজনীয় ফাইল রিমুভ করা যায় খুব সহজে এবং নিরাপদে। CCleaner এর বিকল্প হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। CCleaner হল শেয়ারওয়ার আর BleachBit ফ্রিওয়ার

XDM এবং FDM- ইন্টারনেট ডাউনলোডার হিসেবে IDM কে সবাই এক নামে চেনে। কিন্তু IDM একটি পেইড সফটওয়্যার। এছাড়া IDM এ আমি বেশ কয়েকবার ফাইল করাপশন এর মুখোমুখি হয়েছি যা অত্যন্ত বিরক্তিকর। তাই IDM এর বিকল্প নিয়ে এসেছি XDM বা Xtreme Download Manager। এটি অত্যন্ত হাল্কা কিন্তু ক্ষমতাসম্পন্ন ডাউনলোডার। জাভা নির্ভর এই সফটওয়্যার পনাকে দিতে পারে অনেক দ্রুত গতির ডাউনলোড। আরও একতি মুক্ত ডাউনলোডার হল FDM বা Free Download Manager। IDM এর প্রায় সব ফিচার আছে এতে তার পাশাপাশি আছে বিল্টিন টরেন্ট ডাউনলোড সাপোর্ট। দুটো সফটওয়্যারকেই আপনি ব্যবহার করতে পারেন IDM এর বিকল্প হিসেবে

GParted – অসাধারন একটি পারটিশনিং ইউটিলিটি এই জিপারটেড। এটি উইন্ডোজ, লিনাক্স এবং ম্যাক সবধরনের পারটিশন ফরম্যাট সাপোর্ট করে। খুব সহজে এর সাহায্যে হার্ডডিস্ক কে পারটিশন করার জন্য এক্ষুনি ডাউনলোড করে নিন

Freelancer 6 health risks and remedies

ফ্রিল্যান্সারদের ৬ স্বাস্থ্য ঝুঁকি এবং প্রতিকার

রথাগত কর্পোরেট চাকুরির চেয়ে একজন ফ্রিল্যান্সার অনেক বেশি আয় করেন, সময় স্বাধীনতা পান, কারো ‘বসিং’ মেনে নিতে হয় না এবং যেভাবে যখন খুশি কাজ করতে পারেন। সব মিলিয়ে নতুন একটি লাইফস্টাইল লিড করতে পারেন একেকজন ফ্রিল্যান্সার।

এগুলো একজন ফ্রিল্যান্সারের জন্য যেমন সুবিধা তেমনি একজন ফ্রিল্যান্সার নানান ধরণের অসুবিধাও আছে। এর মধ্যে স্বাস্থ্যগত অসুবিধা বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আমরা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য এমনই ৫ টি স্বাস্থ্যগত সমস্যা নিয়ে লেখার চেষ্টা করেছি এবং এ থেকে কিভাবে সফল ফ্রিল্যান্সাররা প্রতিকার পেতে পারেন সেটি নিয়েও লিখেছি এই আর্টিকেলে।

# কর্মহীন জীবন!

ফ্রিল্যান্সাররা কোন কাজ করেন না! ওয়েট ওয়েট, আগে থেকেই এক্সট্রা এক্সাইটেড হয়ে যাবেন না প্লিজ! এই কাজ বলতে আমরা কায়িক পরিশ্রম বোঝাচ্ছি! একজন ফ্রিল্যান্সারকে দীর্ঘ সময় কম্পিউটার স্ক্রিনের সামনে বসে কাজ করতে হয়। যেহেতু অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সার নিজ ঘরে বসেই কাজ করেন তাই বাইরেও খুব একটা বের হননা। বলা হয়ে থাকে ফ্রিল্যান্সাররা একধরণের ‘উপবিস্ট’ জীবন যাপন করেন, যে জীবনে ফিজিক্যাল অ্যাকটিভিটি খুবই কম থাকে। আর এধরণের জীবন যাপনের ফলে ফ্রিল্যান্সাররা ওজন বেড়ে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ এমনকি হৃদরোগ সহ হৃদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকিও রয়েছে।

ভয় পাবেন না প্লিজ!

এ সমস্যাগুলোকে খুব সহজেই কিন্তু এড়িয়ে যাওয়া যায়। এটি করতে আপনাকে খুব বেশি এফোর্টও নষ্ট করতে হবেনা, প্রয়োজন কাজের ফাঁকে নিয়মিত কিছু ফিজিক্যাল অ্যাকটিভিটি, শারিরীক অনুশীলন, সাইক্লিং কিংবা হাঁটা। যাঁরা বাইরে বের হতে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন না তাঁরা বাসাতেই এক্সারসাইজ মেশিন বসিয়ে নিতে পারেন।

# ধকল!

ফ্রিল্যান্সিং কাজটাকে অনেকে সহজ মনে করেন। এটি আসলে এতটা সহজ নয়, দেশের শীর্ষ ফ্রিল্যান্সারদের সঙ্গে কথা বললেই বিষয়টি বুঝে যাওয়ার কথা। যেহেতু ফ্রিল্যান্সারদেরকে একসঙ্গে একাধিক প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করতে হয় তাই প্রচুর ডেড-লাইন! আবার যেহেতু অনেক ক্লায়েন্ট তাই মাঝে মাঝে ‘কঠিন’ ক্লায়েন্টদের খপ্পরেও পড়তে হয় যারা ফ্রিল্যান্সারদের কাজ নিয়ে অসুন্তষ্ট হয়ে থাকেন। ফ্রিল্যান্সারদেকে এই সব ধকল-ই নিয়মিত সহ্য করতে হয়। আর ধারাবাহিক এবং দীর্ঘায়িত ধকল স্বাস্থ্যগত সমস্যার অন্যতম উৎস। এটি নিয়মিত মাথাব্যাথার কারণ, মানসিক ক্লান্তি এবং রাত্রে ঘুমের সমস্যা তৈরি করে। এটি শারীরিক অসুস্থ্যতা বাড়ায় এবং সক্ষমতা কমায়।

ধকলের সঙ্গে যুদ্ধ!

এটি খুব কঠিন কিছু নয়। আপনি নিজের শরীরের দিকে খেয়াল রাখুন। স্বাস্থ্যসম্মত অভ্যাস গড়ে করুন, ধকলকে এড়িয়ে চলায় সচেষ্ট থাকুন। আর হ্যাঁ, কাজ নেয়ার সময় যদি কোন ক্লায়েন্টকে ‘ঝামেলাপূর্ণ’ মনে হয় তাহলে সেই প্রজেক্ট না নেয়াই ভাল! নিজের শরীর প্রতিও একটু খেয়াল রাখতে হবে যে!

# একাকীত্ব

আগেই বলেছি, ফ্রিল্যান্সাররা ঘরে বসে কাজ করেন। আর এর মানে হচ্ছে দিনভর একলা রুমে কাজ করেই যাচ্ছেন! এমনও ফ্রিল্যান্সার আছেন যাঁরা কেবল ওয়ার্কস্ট্রেশন-বেডরুম ছাড়া অন্য কোথাও যানই না! আপনি যদি এরকম একা থাকতে অভ্যস্ত হন তাহলে একটা সময় আসবে যখন সারাক্ষণই বিষন্নতার মধ্যে ডুবে থাকবেন।
মনে রাখতে হবে, একাকীত্ব আমাদের মানুসিকতার উন্নয়নে খুবই নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

# নিজেকে একাকীত্বের গর্তে ফেলবেন না!

প্রিয় ফ্রিল্যান্সার ভাই, নিজেকে কোনভাবেই একাকীত্বের গর্তে ফেলা যাবে না! আপনি একা কাজ করেন বলেই যে আপনাকে একা থাকতে হবে এমনটি নয়। বন্ধুদের সঙ্গে নিয়মিত বাইরে আড্ডায় যেতে হবে, বাসার বাইরে দেখা করতে হবে এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় দিতে হবে। যদি আপনার সমমনা খুব বেশি বন্ধু না থাকে তাহলে উপায় হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর মাধ্যমে আপনার এলাকা সমমনা বন্ধুদের খুঁজে বের করা এবং তাঁদের সঙ্গে নিয়মিত মিট-আপ আয়োজন করা।

# পুনরাবৃত্তিমূলক স্ট্রেস ইনজুরি

ফ্রিল্যান্সাররা পুনরাবৃত্তিমূলক স্ট্রেস ইনজুরিতে (RSI) ভুগতে পারেন, এক্ষেত্রে কারপাল টানেল সিনড্রোম (Carpal tunnel syndrome)-সমস্যায় পড়ার যথেষ্ঠ সম্ভাবনা রয়েছে। পুনরাবৃত্তিমূলক স্ট্রেস ইনজুরিতে আক্রান্ত ব্যক্তি প্রচুর ব্যথা অনুভব করেন। এতে আপনার দীর্ঘ সময় ধরে কাজ করার সক্ষমতা হৃাস হয়।

দরকার মুক্তি!

এধরণের ইনজুরি থেকে বাঁচতে দরকার মুক্তি, কাজ থেকে নিয়মিত বিরতি।

# ভিটামিন ডি-র অভাব

আগেই উল্লেখ করেছি যে ফ্রিল্যান্সাররা বেশিরভাগ সময়ই বাসায় থাকেন। আপনি কি এটা জানেন, এ কারণে তাঁরা ভিটামিন ডি-র অভাবে পড়বেন।

কিভাবে?

আপনি যদি প্রয়োজন মত দুধ না খান এবং রোদে খুব একটা না যান তাহলে আপনি ভিটামিন ডি সংকটে ভুগবেন সেটি নিশ্চিত! আপনাদের একটি মজার সমীক্ষার কথা বলি, আরব দেশীয় মহিলারা শেষ বয়সে নানা রকম হাড়ের সমস্যায় ভোগেন। কারণ খুঁজে দেখা গেছে, তাদের শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব আছে। শতকরা ৬০ ভাগ মহিলারই এই অবস্থা। এমন রৌদ্রঝলসিত মরুর দেশে ভিটামিন ডি-এর অভাব? সেটি কিভাবে? কারণ আর কিছুই নয়, অতিরিক্ত পর্দাপুশিদার কারণে তাদের গায়ে রোদের কিরণ ঠিকভাবে পড়ে না।

আমাদের দেশের অধিকাংশ ফ্রিল্যান্সাররা সারাক্ষণ ঘরে থাকার কারণে রোদ্রের মাঝে একেবারেই যান না। আর এ কারণেই আপনাকে ভিটামিন ডি সংকটে পড়তে হতে পারে।

এটা কোন ব্যাপার হলো?

আসলেই, এ সমস্যাটির সমাধান করা খুব কঠিন কিছু নয়। আপনাকে পরিমিত সময় রোদ্রের মধ্যে থাকতে হবে, সেজন্য বিকেলে ঘুরতে বের হতে পারেন ।

# মুটিয়ে যাওয়া

এটি অনেকটা কমন সমস্যা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য। ফ্রিল্যান্সাররা প্রচুর খাওয়া দাওয়া করে থাকেন। অবশ্য ফ্রিজের মাত্র কয়েক ফুটের মধ্যে বসে অফিস করলে কে ই বা না খেয়ে থাকতে পারবে, বলুন?
কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, এই অতিরিক্ত খাওয়া কিংবা ডায়েট না করা আপনার স্বাস্থ্যগত সমস্যা বাড়াবে।

সমাধান?

হুমমম… খাওয়া দাওয়া কমিয়ে দিতে হবে বস! আর কত? আর সেটি না পারলে শারিরীক পরিশ্রম বাড়িয়ে দেয়া খুবই জরুরী!

সতর্কবার্তা

আমাদের টিমে কোন ডাক্তার নেই। এই আর্টিকেলটি লেখার জন্য সরাসরি ডাক্তারের কাছ থেকে কোন সহযোগিতাও নেয়া হয়নি। আমরা ইন্টারনেটের সহায়তায় এবং নিজেদের বিভিন্ন অভিজ্ঞতা থেকে আর্টিকেলটি সাজিয়েছি।

আমরা বিশ্বাস করি সফল ফ্রিল্যান্সার ভাইয়েরাও নিজেদের স্বাস্থ্য নিয়ে বেশ সচেতন এবং নিজের স্বাস্থ্যগত সমস্যাগুলোকে রুখে দিতে বিভিন্ন পদ্ধতি অবলম্বন করেন। আমরা আপনাদের এই পদ্ধতিগুলো শুনতে চাই। অন্যরা আপনাদের মন্তব্য শুনে অনুপ্রাণিত হবে।

Learn Something about Web Design and make money $ ?

ওয়েব ডিজাইনার হতে চান?
কিন্তু জানেন না কিভাবে শুরু করবেন?

ওয়েব ডিজাইনিং বা ডেভেলপিং এর ফ্রিল্যান্সিং মার্কেট প্লেস এ অনেক মুল্য! সেখানে হাজারো কাজ আছে ডিজাইনিং ও ডেভেলপিং এর উপর। তা ছাড়া আপনি অফলাইনে মানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ওয়েব সাইটের কাজ করতে পারবেন। আমি আমার সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করব। আর একটা কথা আমি নতুন বাংলা টাইপ করছি! ভুল হতে পারে। তাই দয়া করে ক্ষমা করে দিবেন!

প্রথমে ওয়েব ডিজাইনিং দিয়ে শুরু করব!

ওয়েব ডিজাইনিং এর জন্য প্রথমেই লাগবে -
HTML : hyper text markup language
HTML দিয়ে একটি ওয়েব পেজের অবয়ব বা চেহারা create করা যায়! শুধু চেহারা। এটা একেবারে সোজা! ৭/৮ দিন ভালোভাবে practice করলেই আপনি এটা পারবেন।

তারপর লাগবে CSS: Cascading style sheet
CSS : এটি দিয়ে পেজ এর কালার,কালার করা মেনু,স্ক্রল ডাউন মেনু যাবতীয় সব করা হয়! এক কথায় ওয়েব পেজ ডিজাইনের মুল হাতিয়ার এটা! এটা শেখার জন্য কতটুকু সময় লাগবে তা আপনার উপর depend করে! তবে advance CSS শিখতে ১/২ মাস লাগতে পারে। এটিও মোটামুটি খুব সোজা!

adobe photoshop : এটা তো সবাই জানেন এটা দিয়ে কি করে! তবে কোন ওয়েব সাইটের ব্যানার ,ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ , বাটন ইত্যাদি create করতে এটা লাগবে!

তারপর Javascript ব্যাবহার করতে পারেন তবে এক্ষত্রে ওয়েব পেজ টি ভারি হয়ে জায়! ফলে ওয়েব পেজ লোড হতে সময় লাগে!

তারপর jquery টা শিখতে পারেন এটা javascript এর একটি লাইব্রেরী বা ফ্রেমওয়ার্ক। এটি দিয়ে ওয়েব পেজ এ স্লাইড শো create করতে পারবেন! এনিমেশন create করতে পারবেন!

এরপর PHP, Mysql শিখতে পারেন। এগুলো দিয়ে ডাটাবেজ ওয়ালা ওয়েব সাইট create করতে পারবেন! এগুলো ওয়েব ডেভেলপ এর ভিতরে পরে!

তারপর আরো আছে wordpress/joomla । এগুলো কন্টেণ্ট মেনেজম্যেন্ট সিসটেম! এগুলো দিয়ে ওয়েব সাইট খুব সহজেই coding ছাড়া create বা পরিচালনা করা যায়!

Learn about 17 important Android Apps

স্মার্টফোনটিকে শুধু কথা বলার যন্ত্র না বানিয়ে রেখে একে অতিপ্রয়োজনীয় একটি বস্তুতে পরিণত করুন। এখানে ১৭টি অ্যাপের কথা বলা হলো যার সম্ভার আপনার মোবাইলটিকে নিত্য জীবনের এক অপরিহার্য অংশ করে দেবে।
১. হোটেল টুনাইট : বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে হোটেলগুলোকে ভাগ করা হয়েছে। দিনের একেবারে শেষ মুহূর্তে খালি কক্ষের তথ্য আপডেট করা থাকবে এখানে। তাই ঘুরে ঘুরে হোটেলে ঢুঁ মারতে হবে না।
২. সানরাইজ ক্যালেন্ডার : গতানুগতিক ক্যালেন্ডার থেকে বেরিয়ে এসে সানরাইজ ক্যালেন্ডার নিতে পারেন। যাবতীয় ব্যবহার তো রয়েছেই, সেই সঙ্গে গুগল বা ফেসবুকের ক্যালেন্ডারকে সমন্বয় করবে অ্যাপটি। অ্যাপল ও অ্যান্ড্রয়েডে পাবেন এটি।
৩. এভারনোট : ব্যস্ত দিনের যাবতীয় নোটগুলোকে আপনার প্রয়োজনীয় বিভিন্ন স্থানে পাঠিয়ে দেবে অ্যাপটি। ভিজিটিং কার্ডও স্ক্যান করে সেভ করে রাখা যাবে এর মাধ্যমে।
৪. পিসি ডেপট : ডিপার্টমেন্টাল স্টোরগুলোতে লাইনে দাঁড়িয়ে থেকে লাভ কী? এই অ্যাপের মাধ্যমে নিজের প্রয়োজনীয় যেকোনো কিছুর বিষয়ে পরামর্শ নিতে পারবেন।
৫. ১২০ স্পোর্টস : ক্রীড়া দুনিয়ার যাবতীয় গসিপ এবং লাইভ খেলার স্কোর দেখাবে অ্যাপটি। একে ইএসপিএন-এর পরিবারের কেউ বলেই মনে হবে আপনার।
৬. গ্রিলটাইম : মজার গ্রিল বাসায় করতে সঠিকভাবে গ্রিলের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করবে অ্যাপটি।
৭. টেবিল ম্যানারস ফ্রম উইলিয়াম হ্যানসন : বস বা অন্য যে কেউ রেস্টুরেন্টে ডিনারের দাওয়াত করে বসলেন। সেখানে গিয়ে কীভাবে ভদ্রোচিতভাবে খাবেন তার কাঁটা চামচ ও চাকুর ব্যবহারসহ শিখিয়ে দেবে অ্যাপটি।
৮. ফাস্টার প্রো : এটি একটি ই-বুক রিডার যা আপনার পড়ার দক্ষতা বাড়িয়ে দেবে। আবার একঘেয়ে কিছু পড়ার সময় অ্যাপটি দ্রুত পড়তে সহায়তা করবে।
৯. মেইলট্র্যাকার : অ্যাপটি যদিও অন্যকে আপনার মেইলের জবাব দিতে বাধ্য করতে পারবে না, তবুও অন্য কেউ আপনার মেইলটি পড়লে তা নোটিফাই করবে।
১০. ওয়েস্টার : সফল ব্যবসা প্রতিষ্ঠার ইতিহাসসহ হেমিংওয়ের ক্ল্যাসিক সব বই পাবেন এখানে।
১১. সিরকা : গুরুত্বপূর্ণ সব ঘটনা ও তার বিশ্লেষণ দেখতে পারবেন পাঁচ পাতার এই অ্যাপের মাধ্যমে। মোবাইলে এটি পড়তে দারুণ সুবিধাজনক।
১২. ডিসটিলার : যেকোনো সময় পছন্দের হুইস্কি সম্পর্কে মতামত দিতে বা জেনে নিতে এই অ্যাপটি বানানো হয়েছে।
১৩. ককটেইলস মেড ইজি : বাড়িতে মেহমান এলে তাদের দারুণ সব ককটেইল বানিয়ে খাওয়াতে শেখাবে এই অ্যাপটি।
১৪. পকেট : কাজের সময় দারুণ একটি আর্টিকেল চোখে পড়ে গেলো। কী করা যায়? এটি অ্যাপের মাধ্যমে তা সেভ করে ফেলুন এবং পরে সময়মতো দেখুন।
১৫. আরবারড্যাডি : এর মাধ্যমে জানা যায় ককটেল বার নাকি আন্ডারগ্রাউন্ড কোনো ক্লাবে জম্পেশ অনুষ্ঠান হতে চলেছে। অ্যাপটি নিউ ইয়র্ক, সান ফ্রান্সিসকো, আটলান্টা, বোস্টন এবং লাস ভেগাসের জন্য প্রযোজ্য।
১৬. থার্স্টি : এই অ্যাপের মাধ্যমে বোতলজাত যেকোনো পণ্য অর্ডার দিলে বাড়ির দোরগোড়ায় দিয়ে যাবে। ইউএসএ-তে অ্যাপটি সার্ভিস দিচ্ছে।
১৭. দ্য জেন্টলম্যানস গাইড টু লাইফ : নামেই এর পরিচয়। কোন অনুষ্ঠানে কোন পোশাকটি পরে যাবেন এবং তার যত্ন কীভাবে নেবেন?
সূত্র : বিজনেস ইনসাইডার

Some important Graphic Design and Photoshop tips

ডিজিটাল ক্যামেরার যুগে ছবি তোলা কঠিন কিছু নয় সহজে তুলে ফেলা এসব ছবিসম্পাদনা করে আরো নিখুঁত করা যায়  


অঅ-+
গিম্প

ছবি সম্পাদনার ১০ সফটওয়্যার

'গিম্প' দিয়ে ছবি সম্পাদনার পাশাপাশি ছবি আঁকা ছবির ধরনও (ফরম্যাট) পরিবর্তন করা যায় শক্তিশালী টুলসেট সুবিধার এই সফটওয়্যারে আঁকার জন্য ব্রাশ, পেনসিল, এয়ারব্রাশ, গ্রেডিয়েন্ট, ব্লেন্ড, ক্লোনসহ বিভিন্ন ধরনের টুল রয়েছে

এর উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, ফুল স্ক্রিন মুডে কাজ করার স্বাধীনতা ফলে বড় আকারে ছবি সম্পাদনার সুবিধা পাওয়া যায় সম্পাদনা শেষে ছবিগুলোকে জেপিইজি, জিআইএফ, পিএনজি, টিআইএফএফ ইত্যাদি জনপ্রিয় ফরমেটে সংরক্ষণ করা যায় গিম্পের ইন্টারফেস নিজের মতো করে সাজিয়ে ব্যবহার করা যাবে ফলে থিমের পাশাপাশি টুল বক্সে আইকনের চেহারা পরিবর্তন করা যায়

উইন্ডোজের এক্সপি, ভিসতা, , , ., ম্যাকের পাশাপাশি সফটওয়্যারটি মুক্ত অপারেটিং সিস্টেম লিনাক্সওে কাজ করে ১৫ মেগাবাইটের এই সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করা যাবে www.gimp.org/downloads থেকে

পিন্টা

ছবি সম্পাদনার ১০ সফটওয়্যার

পিন্টার ইন্টারফেসের সঙ্গে মাইক্রোসফট পেইন্টের যথেষ্ট মিল রয়েছে অর্থাৎ এটির বাঁ পাশে টুলকিট, লেয়ার আর ডানে হিস্টরি সুবিধা আর মধ্যে রয়েছে ইমেজ নিয়ে কাজের সুযোগ নতুন ব্যবহারকারীরা সফওয়্যারটির যেকোনো টুলের ওপর মাউসের পয়েন্টার রাখলেই সে টুলের বিভিন্ন কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন এটির মেন্যু অপশনে প্রবেশ করে ইমেজ রোটেট, ভিউইং অপশন নানা ধরনের ইফেক্ট ব্যবহারের সুযোগ মিলবে ছবিকে আরো নিখুঁত করতে রয়েছে কালার কার্ভ এডিটর সুবিধা ব্যবহারের সুযোগ পিন্টাতে লেয়ারসহ বিভিন্ন ইফেক্ট ব্যবহারেরও সুযোগ রয়েছে উইন্ডোজ এক্সপি, ভিস্তা -এর পাশাপাশি লিনাক্স অ্যাপলের ওএস এক্স অপারেটিং সিস্টেমেও এটি ব্যবহার করা যায় http://pinta-project.com/download.ashx থেকে পিন্টা ডাউনলোড করা যাবে

চাসিস ড্র আইইএস

ছবি সম্পাদনার ১০ সফটওয়্যার

সফটওয়্যারটি মূলত ড্রইং, পেইন্টিং, ফটো এডিটর প্রোগ্রাম, ইমেজ ভিউয়ার, এডিটর কনভার্সন টুল হিসেবে সহজেই ছবি সম্পাদনার সুযোগ দিয়ে থাকে এর মূল এডিটিং প্রোগ্রামে কিছু চমৎকার ফিচার আছে যেমন লেয়ার, ক্লোনিং ব্রাশ, পেন পাথ সিলেকশন, লেভেল, কার্ভস সেই সঙ্গে আছে নানা রকম ইফেক্টস ফিল্টার এটি ফটোশপের প্লাগ-ইনস ব্যবহার করতে পারে ডাউনলোড করতে পারবেন এই লিঙ্ক থেকে http://chasys-draw-ies.en.softonic.com/ সফটওয়্যারটি উইন্ডোজ এক্সপি, ভিস্তা অপারেটিং সিস্টেমে কার্যকর

পেইন্টডটনেট

ছবি সম্পাদনার ১০ সফটওয়্যার

পেইন্টডটনেট- এক ছবি সম্পাদনা করা অবস্থায় আরেক ছবিতে প্রবেশ করা যায় দ্রুত ছবি সম্পাদনার জন্য এতে আছে লেয়ার, লেভেল কার্ভ নামের তিন সুবিধা কনটেক্সট মেন্যু (রাইট ক্লিক) সুবিধার পাশাপাশি বেশ কিছু ফিল্টার ইফেক্টস পাওয়া যাবে অন্য প্রতিষ্ঠানের তৈরি বেশ কিছু থার্ড পার্টি প্লাগ ইনস ব্যবহারের সুযোগও পাওয়া যাবে গিম্পের মতোই বিভিন্ন সুবিধা থাকায় নিয়মিত হালনাগাদ হওয়ায় ব্যবহারকারীদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে সফটওয়্যারটি আগের সংস্করণের বিভিন্ন ত্রুটি দূর করা হয়েছে উইন্ডোজ এক্সপি, ভিস্তা অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করা সফটওয়্যারটি www.getpaint.net থেকে ডাউনলোড করা যাবে

ফটোগ্রাফিকস

ছবি সম্পাদনার ১০ সফটওয়্যার

আকার মাত্র ৩৫৬ কিলোবাইট তবু ফটোগ্রাফিকস দিয়ে ছবি সম্পাদনার প্রায় সব কাজই করা যায় ছবিতে লেয়ার, লেয়ার মাস্ক লেভেলের কাজ দ্রুত করাও সম্ভব একই সঙ্গে ছবিকে ব্লার বা শার্প করার সুবিধাও পাওয়া যাবে চাইলে ছবিতে সোলারিস বা নাইট ভিশন আদলের ফিল্টারও ব্যবহার করা যাবে ছবিতে ভিনিয়েটস (নামপত্র), স্টেনসিলড টেক্সট, রাবার স্ট্যাম্পসহ আরো বেশ কিছু ইফেক্টস ব্যবহার করা যাবে উইন্ডোজ এক্সপি, ভিস্তা অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করা সফটওয়্যারটি http://lmadhavan.com/software/fotografix/ থেকে ডাউনলোড করা যাবে

ভার্চুয়াল স্টুডিও

রাতে ছবি উঠানোর সময় আকাশে চাঁদ নেই তো কী হয়েছে? ভার্চুয়াল স্টুডিওর মধ্যে থাকা মুনলাইট ইফেক্ট ব্যবহার করে ঠিকই প্রিয় মুহূর্তের সে ছবিতে চাঁদের আলো ব্যবহার করা যাবে চমৎকার সফটওয়্যারটি দিয়ে ছবির বিভিন্ন ত্রুটি দূর করা সম্ভব এর বিভিন্ন ফিল্টার কাজে লাগিয়ে ছবিতে পুরনো আমলের রঙিন ফিল্মের ইফেক্ট, নেগেটিভে রূপান্তরসহ বিভিন্ন ইফেক্ট জুড়ে দেওয়া সম্ভব এর 'ফিল্ম' সুবিধা কাজে লাগিয়ে ডিজিটাল ফরমেটে ধারণ করা ছবিকে দেখতে পুরনো ফিল্মের মতো করা যায় ছাড়া নির্দিষ্ট কোনো ছবিকে ক্যামেরার বিভিন্ন শাটার স্পিডে কেমন দেখাতে পারে, তা- জানা যাবে সফটওয়্যারটি দিয়ে উইন্ডোজ এক্সপি, ভিস্তা অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করা সফটওয়্যারটি www.optikvervelabs.com থেকে ডাউনলোড করা যাবে

ফটোস্কেপ

ছবি সম্পাদনার পাশাপাশি ছবিতে বিভিন্ন ইফেক্ট ব্যবহারে জুড়ি নেই ফটোস্কেপের সফটওয়্যারটিতে বেশ কিছু ক্লিপ আর্ট এবং স্পেশাল ইফেক্ট আছে আরো আছে ভিউয়ার, এডিটর, ব্যাচ প্রসেসর, ফটো কনভার্টার, ফটো রিনেম, প্রিন্ট লেআউট, স্ক্রিন ক্যাপচার, কালার পিকসহ দারুণ কিছু টুলস সফটওয়্যারটি দিয়ে অ্যানিমেটেড জিফ (নড়াচড়া করে এমন) ছবিও তৈরি করা সম্ভব উইন্ডোজ এক্সপি, ভিস্তা অপারেটিং সিষ্টেমে কার্যকর সফটওয়্যারটি www.photoscape.org থেকে ডাউনলোড করা যাবে

ফটো-পোস-প্রো

সফটওয়্যারটির ইফেক্টস নিজের মতো করে গুছিয়ে নেওয়া যাবে সম্পাদনার জন্য আছে স্ক্রিপটিং টুল সুবিধা এই টুল ব্যবহার করে এডিটিং টাস্কগুলোকে 'অটোমেট' করা যাবে অর্থাৎ একবার যে কাজ করবেন সেই কাজের ধারা সংরক্ষণ করা যাবে ফলে পরবর্তী সময়ে ছবি সম্পাদনার সময় সেটি সরাসরি ছবিতে প্রয়োগ করা সম্ভব উইন্ডোজ এক্সপি, ভিস্তা অপারেটিং সিস্টেমে সফটওয়্যারটি কার্যকর ডাউনলোড করা যাবে www.photopos.com/Photo-Pos-Pro-Free-Photo-Editor.asp থেকে

ফটো প্লাস

আগে অর্থের বিনিময়ে ব্যবহার করতে হলেও এখন ফটো প্লাস সফটওয়্যারটির বেশ কিছু সংস্করণ বিনা মূল্যে পাওয়া যায় সীমিত সংস্করণের এসব সফটওয়্যার দিয়ে ছবি সম্পাদনার প্রায় সব কাজই করা সম্ভব ছবিকে নিখুঁত করতে আছে এক্সপোর্ট অপ্টিমাইজার, টেক্সট এডিটর, লেয়ার ইফেক্ট, স্পেশাল ইফেক্ট, রেড আই রিমুভারসহ বিভিন্ন টুলস ব্যবহারের সুযোগ সফটওয়্যারটি উইন্ডোজ এক্সপি, ভিস্তা অপারেটিং সিস্টেমে কাজ করে www.serif.com/free-photo-editing-software/ থেকে ডাউনলোড করা যাবে

ফটোফিল্ট


ছবি সম্পাদনার জন্য খুবই সাধারণভাবে তৈরি করা হয়েছে ফটোফিল্ট সহজে দ্রুত ছবি সম্পাদনার জন্য বিল্ট-ইন ইমেজ এক্সপ্লোরার ছাড়াও সফটওয়্যারটিতে রয়েছে ফাইল নেভিগেশন, পেইন্টিংসহ বিভিন্ন সুবিধা এর ফটোমাস্ক টুল ব্যবহার করে ছবিতে বিভিন্ন ধরনের কালার, লাইটসহ বিভিন্ন ইফেক্ট যোগ করা যায় উইন্ডোজ এক্সপি, ভিস্তা অপারেটিং সিস্টেমে কার্যকর সফটওয়্যারটি http://photofiltre.free.fr/download^en.htm থেকে ডাউনলোড করা যাবে